মেনু নির্বাচন করুন

ধুলিয়ানী হাইস্কুল

১।সংক্ষিপ্ত বর্ণনা:

বিদ্যালয়টি কপোতাক্ষ নদের তীরে মনোরম পরিবেশে অবস্থিত। বিদ্যালয়টিতে বর্তমানে ৭৪৪ জন ছাত্র-ছাত্রী, শিক্ষক কর্মচারী ২৫জন, দ্বিতল ভবন ২টি, ও ১টি একতল ভবন যাতে ২৩টি কক্ষ রয়েছে, ১টি পাঠাগার, ১টি ক্যান্টিন, ৫টি শৌচাগার ও নলকুপ ৩টি, ছাত্রদের সাইকেল রাখার জন্য ১টি টিন সেটের ছাউনী রয়েছে। ১টি কম্পিউটার ল্যাব রয়েছে যেখানে ৯টি কম্পিউটার রয়েছে। বর্তমানে ছাত্র ছাত্রীদের ক্লাস ব্যবস্থা পরিবর্তন করে প্রজেক্টরেরর সাহায্যে ক্লাস নেওয়া হচ্ছে এতে করে ছাত্র-ছাত্রীরা আরো বেশী আগ্রহী হয়ে উঠছে। বিদ্যালয়টি বাজার সংলগ্ন, অদুরেই ধূলিয়ানী ইউনিয়ন পরিষদ ও ধূলিয়ানী ব্রিজ। উপজেলা পরিষদ থেকে বিদ্যালয়ে পৌছাবার জন্য রয়েছে পাকা সড়ক। বিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠার পর থেকে অত্র এলাকার মানুষের শিক্ষার চাহিদা ও এলাকার শিক্ষানুরাগী মানুষের ব্যাপক প্রচেষ্টায় বিদ্যালয়টি আজ সুদুড় ভিত্তির উপর প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। শিক্ষক, কর্মচারী,  অভিভবকদের ও  তৎকালীন ইউপি চেয়ারম্যান পল্লী চিকিৎসক ডা: মো: আনোয়ার হোসেনের অক্লান্ত পরিশ্রম ও  সম্মিলিত প্রচেষ্টায় অল্প সময়ের মধ্যে ভাল ফলাফল করতে শুরু করেছে। ডা: মো: আনোয়ার হোসেন বিদ্যালয় শুরু থেকে বিদ্যালয়ের সাথে জড়িত এবং অধিকাংশ সময় অত্র বিদ্যালয়ের সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন এবং তিনি বর্তমান ২২/০৬/২১২ তারিক পর্যন্ত সভাপতি হিসেবে দায়িত্বে রয়েছেন। এলাকার মানুষ বিদ্যালয়টি নিজেদের বিদ্যালয় হিসেবে গ্রহন করে ক্রমশ ছাত্র/ছাত্রীর সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে।

২। প্রতিষ্ঠাকাল: ১৯৬৯ সাল

৩। ইতিহাস:

১৯৬৮ সালের ১৩ই নভেম্বর রোজ শুক্রবার বেলা ২ঘটিকার সময় ধূলিয়ানী গ্রামের জমিদার শ্রী যুক্ত বাবু নিপেন্দ্রনাথ ঘোষ চৌধুরি মহাশয়ের দলিজ ঘরেএলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গের সমন্বয়ে এক অধিবেশন হয়। অত্র অধিবেশনে সভাপতির দায়িক্ত পালন করেন এলাকার বিশিষ্ট সমাজসেবক সনামধন্য পল্লী চিকিৎসক শ্রোদ্ধেয় ডা: বিলায়েত হোসেন। অত্র অধিবেশনে এলাকায় একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠার জন্য ধূলিয়ানী গ্রামের অধ্যপক আব্দুল জলিলের প্রস্তাবে এবং কাবিলপুর গ্রামের মো: মাহাসীনআলী(বি.এ) সমর্থনে সর্বসম্মতিক্রমে ধূলিয়ানী গ্রামে কপোতাক্ষ নদীর তীরে একটি জুনিয়র হাই স্কুল প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্ত গৃহিত হয়। মুক্তারপুর গ্রামের মনছুর আলী(বি.এ) সাহেবের প্রস্তাবে এবং ধূলিয়ানী নিবাসী মো: শুকুর আলীর সমর্থনে বিদ্যালয়ের নাম করা হয় সম্মিলনী জুনিয়র হাইস্কুল, ধূলিয়ানী। বিদ্যালয়টির পরিচালনা করার জন্য একই স্থানে অনুষ্ঠিত ২২/১১/১৯৬৮ তারিখ গঠিত একটি এডহক কমিটির সভাপতি নির্বাচিত হন চৌগাছা সাব রেজিষ্টার সাহেব এবং সম্পাদক নিযুক্ত হন ধূলিয়ানী গ্রামের শাহাদৎ হোসেন বিশ্বাস(নায়েব) এবং ১৯৬৯ সালের ৩রা জানুয়ারী কপোতাক্ষ নদের তীরে মনোরম পরিবেশে মো: আব্দুল জলিল বিশ্বাস, মো: শুকুর আলী বিশ্বাস, মো: বদর উদ্দীন ও মো: আব্দুর রহিম বিশ্বাসগনের জমির উপর চাচের  বেড়া ও গোলপাতার ছাউনির ঘরে প্রথম বিদ্যালয়ের কার্যক্রম শুরু হয়। সে সময় কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রধান শিক্ষক মো: মনছুর আলী(বি.এ) সহকারী প্রধান শিক্ষক মো: মহাসীন আলী(বি.এ) দয়িত্ব পালন করেন। পরবর্তীতে ০১/০১/১৯৭০ সালে বিদ্যালয়টি জুনিয়র এবং ০১/০১/১৯৭৩ তারিখে হাইস্কুল হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে। ২৭/০৫/১৯৭৩ তারিখ হতে জনাব মো: মহাসীন আলী সাহেব প্রধান শিক্ষক হিসেবে এবং মো: শহিদুল্লাহ সহকারী প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে তাহাদের সততা, দক্ষতা, নিষ্ঠা ও অক্লান্ত পরিশ্রমের মাধ্যমে বিদ্যালয়টি প্রভূত উন্নতি সাধন হয়। যাহার ফলে ১৯৭৮সালে মো: রাশেদুল ইসলাম বর্তমান সচিব এস.এস.সিতে নবম স্থান এবং ১৯৯৪ সালে মো: মনিবুর রহমান বর্তমানে সরকারী কলেজের অধ্যপক এস.এস.সিতে মানবিক শাখায় দ্বিতীয় স্থান অধিকার করে এছাড়াও প্রধান শিক্ষক মো: মহাসীন আলী সাহেবের অক্লান্ত পরিশ্রম ও প্রচেষ্টায় এবং শিক্ষক মন্ডলীর দক্ষতা ও আন্তরিকতার ফলে প্রতিবছর জুনিয়র ও এস.এস.সি পরীক্ষায় প্রায় প্রতিবছর উপজেলায় উল্লেখযোগ্য স্থানে অবস্থান করে। এছাড়াও প্রধান শিক্ষক মো: মহাসীন আলী সাহেব উপজেলা পর্যায়ে শেষ্ঠ শিক্ষক হিসেবে বিবেচিত হন। ক্রিয়া ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনে বিভাগীয় পর্যায়ে অংশগ্রহনের যোগ্যতা অর্জন করেন। জনাব মো: মহাসীন আলী সাহেব অবসর গ্রহনের পর সহকারী প্রধান শিক্ষক মো: শহিদুল্লাহ সাহেব বর্তমানে প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পালন করছেন।


Share with :

Facebook Twitter